Tuesday, March 6, 2018

১ বলে ১৫ রানের মজার রেকর্ড


 মজার এই লেখাটি লিখেছেন চৌধুরী শামীম
 
ওপেনিংয়ে ব্যাটিং করছেন অস্ট্রেলিয়ার মারকুটে ওপেনার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। বোলার নিউজিল্যান্ডের ড্যারেল টাফি। প্রথম বলেই বল সীমানাছাড়া। তার ওপর আম্পায়ার হাত তুলে জানান দিলেন নো-বল। পরিসংখ্যান দাঁড়ালো, বিনা বলে ৫ রান। পরের বলটিও নো।

তারপরের বলে আবারও হাত তুললেন আম্পায়ার আলিম দার। ফলাফল একই। সে কি! পরের বলটি ওয়াইড, নো- দুটিই হলো। যদিও সেটিকে নো বলেই স্বীকৃতি দিলেন আম্পায়ার। স্কোরবোর্ড বলেছে, বিনা বলে ৮ রান। এটি ছিল টাফির ৭৬তম ম্যাচ। ইতোমধ্যে নিয়েছেন ৯০ উইকেট। পঞ্চম বলটিও সবাইকে অবাক করে দিয়ে ওয়াইড করলেন টাফি! চিন্তার ভাঁজ অধিনায়ক স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের কপালে। হলো কী! টাফি কি বল করাই ভুলে গেলেন? তার নিজেরও অনুভূতি হয়ত তেমনই ছিল তখন!

বিস্ময়ের বাকি তখনও। ষষ্ঠ বলটি করতে ছুটলেন টাফি। কিন্তু ফলাফল একই। দু’হাত প্রসারিত আম্পায়ারের। স্কোর বিনা বলে (৬টি বল হয়ে গেছে তখন) ১০ রান।

সপ্তম বলটি শুদ্ধ বল হলো বটে, তবে ফের চার খেলেন টাফি। অষ্টম বলটিও ওয়াইড। স্কোরবোর্ডে ১ বলে ১৫ রান!
 
Daryl Tuffey
 

ডিমের রাজা

 ডাকের রাজা আফ্রিদির জন্মদিনে লেখক চৌধুরী শামীমের মজার লেখা।

ক্রিকেটে এই ডাক বা ডিমের রাজা হচ্ছেন পাকিস্তানী ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি। যাকে ডাকফ্রিদি নামেও ডাকা হয়! তিনি তার ক্যারিয়ারে মোট ৮০ বার ডাক করেছেন, এর ভেতর ৪৪ বারই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। আর ৩৬ বার বিভিন্ন ঘরোয়া ক্রিকেটে।

আফ্রিদির ৪৪ আন্তর্জাতিক ডাকের ভেতর রয়েছে ২৪ টি সোনালি ডিম অর্থাৎ গোল্ডেন ডাক। ওয়ানডেতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩০ বার ডাক হয়েছেন আফ্রিদি। এখানে দ্বিতীয় হলেও একটা জায়গায় তিনিই প্রথম, ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৩ বার গোল্ডেন ডিমের মালিক আফ্রিদি!

তবে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ডিমের সংখ্যা মুরালিধরনের, ৫৯ বার হাঁসের ডিম তার। (সংখ্যার হেরফের সংশোধনযোগ্য)


The King of Ducks


যেহেতু আজ ডাকবাবা আফ্রিদির জন্মদিন সেহেতু আজ হাঁসের ডিম নিয়েই বেশি কথা হচ্ছে! কেউ বিরক্ত হলে এড়িয়ে যেতে পারেন!!!

বাই দ্যা ওয়ে , ক্রিকেটে বিখ্যাত একটি ডাকের ঘটনা আছে যেটি “বোম্বে ডাক” হিসেবে পরিচিত। অজিত আগারকার মুম্বাইতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা সপ্তম ডাক মেরেছিলেন। ভারত যখন অস্ট্রেলিয়া সফরে যায় তখন আগারকার টানা পাঁচটা ডিম পাড়েন, ফিরতি সফরের প্রথম টেস্টে মুম্বাইতে আবারো দুই ইনিংসে শূন্য রানে আউট হয়ে “বোম্বে ডাক” নাম অর্জন করেন। তার অন্য নিকনেম 007!


Agarkar with his wife
 

ক্রিকেটের বিচিত্র সব আউট

লেখক চৌধুরী শামীম

একজন ব্যাটসম্যান দশটি উপায়ে আউট হতে পারেন। এর মাঝে পাঁচটি সাধারণত আমরা বার বার দেথতে পাই। বাকি পাঁচটি দুর্লভ।


সাধারণত আমরা দেখি একজন ব্যাটসম্যান কট, বোল্ড, এলবিডব্লিউ, রান আউট অথবা স্টাম্পড হন।

বাকি পাঁচটি হল হিট উইকেট (যখন একজন ব্যাটসম্যান তার নিজের বেইল ফেলে দেন), হ্যান্ডল দ্য বল (ফিল্ডিং সাইডের অনুমতি ছাড়া হাত দিয়ে বল ধরলে), হিট দ্য বল টোয়াইস বা ডাবল হিট ( ইচ্ছাকৃতভাবে দুইবার বলে হিট করা), অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড (রান আউট করা বা ক্যাচ নেয়ার সময় ফিল্ডারকে বাধা দেয়া) এবং টাইমড আউট (একজন নতুন ব্যাটসম্যান মাঠে নামতে বেশি দেরি করলে)।

(বিঃদ্রঃ আরো দুইটা নাকি আছে আউট , আমি সেগুলো জানিনা। কেউ জানলে বলতে পারেন।)"

ডিম সমাচার

লেখক চৌধুরী শামীম 

ক্রিকেটের জন্মস্থান ইংল্যান্ডে ১৮৮৬ সালের এক ম্যাচে প্রিন্স অব ওয়েলস খেলতে নেমেছিলেন। ব্যাট করতে নেমে শুন্য রানেই ফিরতে হয়েছিলো তাকে। পরের দিনই এই খবর প্রচার হয়ে যায়। 


খবরের কাগজে শিরোনাম হয়, ‘প্রিন্স রিটায়ার্ড টু দ্য রয়্যাল প্যাভিলিয়ন অন আ ডাক’স এগ’। ঐতিহাসিক দিকে থেকে এটাই মূল কারণ। অনেক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ আবার মনে করেন, শুন্য (০) দেখতে অনেকটা হাঁসের ডিমের মতো লাগে বলেই নাকি নাম হয়েছে ‘ডাক’। 



ক্রিকেটে প্রচলিত ডাক বা ডিমঃ
#গোল্ডেন ডাকঃ যখন ব্যাটসম্যান প্রথম বলেই ডিম পাড়েন।
#সিলভার ডাকঃ দ্বিতীয় বলে ডাক।
#ব্রোঞ্জ ডাকঃ তৃতীয় বলে ডাক।
#ডায়মন্ড ডাকঃ কোন বল না খেলেই ডাক, সাধারনত নন স্ট্রাইকার ব্যাটসম্যান যখন রান আউট হন।
#গোল্ডেন গুজ (Golden Goose): নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক বা প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটের প্রথম বলে আউট।
#লাফিং গুজঃ প্রথমে বলেই আউট এবং সাথে সাথে দল অল আউট যেমন লাস্ট ব্যাটসম্যানের গোল্ডেন ডাক।
#টাইটেনিয়াম ডাকঃ যখন ব্যাটসম্যান ইনিংসের প্রথম বলেই ডায়মন্ড ডাক হন।
#পেয়ার (Pair): যখন ব্যাটসম্যান টেস্ট ম্যাচের দুই ইনিংসেই ডাক করেন। ****বাংলাদেশের হাবিবুল বাশারের এই অভিজ্ঞতা আছে।***
#কিং পেয়ারঃ যখন ব্যাটসম্যান টেস্ট ম্যাচের দুই ইনিংসেই গোল্ডেন ডাক করেন।

কোন রান না করেই আউট হলেন, বলা হবে আপনি ‘ডাক’ মেরেছেন। সেই ‘ডাক’ এর আবার রকমফেরও আছে। ‘গোল্ডেন ডাক’, ‘ডায়মন্ড ডাক’ ইত্যাদি। কিভাবে জন্ম হলো এই মজার শব্দটির? 

লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে আমাদের ক্রিকেট গুরু মাশরাফির ডাবল হ্যাটট্রিক

 লেখক আমাদের প্রিয় শামীম চৌধুরী ভাই।

ইতিহাসের অষ্টম বোলার হিসেবে লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে ডাবল হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি ৯.৫ ওভারে ৪৪ রান খরচায় ছয় উইকেট নিয়েছেন ম্যাশ।


ফতুল্লায় অগ্রণী ব্যাংকের সঙ্গে ম্যাচে এই কীর্তি গড়েছেন আবাহনীর এই দেশ সেরা পেসার, শেষ ওভারের ২য় থেকে ৫ম বলে তিনি আউট করেছেন চারজনকে। লিস্ট ‘এ’-তে এই কীর্তি এর আগে আছে মাত্র সাতজনের। অ্যালান ওয়ার্ড, শন পোলক, ভাসবার্ট ড্রেকস, লাসিথ মালিঙ্গা, ডেভিড পেইন, গ্রাহাম নেপিয়ার ও শ্রীকান্ত মুন্ধে এর আগে গড়েছিলেন এই কীর্তি। 

অগ্রণী ব্যাংকের ইনিংসের শেষ ওভারে বোলিংয়ে এসেছিলেন মাশরাফি। প্রথম বলে রাজ্জাক সিঙ্গেল নিয়ে দিয়েছিলেন ধীমান ঘোষকে, সেই ধীমানই প্রথমে ক্যাচ দিয়েছেন। পরের বলে ক্যাচ দিলেন রাজ্জাক। এরপর শফিউল- মাশরাফির লিস্ট 'এ' ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক । তারপর উইকেটকিপার মিঠুনকে ক্যাচ দিলেন ফজলে রাব্বী। চার বলে চার উইকেট উইকেট নিয়ে ডাবল হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন মাশরাফি!


অভিনন্দন ম্যাশ

Monday, March 5, 2018

আমাদের সম্ভাব্য প্রধান প্রশিক্ষক রিচার্ড পাইবাস সম্পর্কে খুঁটিনাটি বিষয়াদি

শোনা যাচ্ছে রিচার্ড পাইবাস আমাদের জাতীয় দলের প্রধান কোচ হতে চলেছেন। আসুন জেনে নিই রিচার্ড পাইবাস সম্পর্কে খুঁটিনাটি বিষয়।

রিচার্ড পাইবাস এর আগে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ (৩০ মে, ২০১২ থেকে পরবর্তী ৫ মাস) জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ ছিলেন এবং বর্তমানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট হিসেবে কর্মরত আছেন। ১৯৯৯ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌছে যাওয়া পাকিস্তান ক্রিকেট দলের পরামর্শক ছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনিই দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে সবচেয়ে সফল কোচ হিসেবে স্বীকৃত, যিনি টাইটানস ও কেপ কোবরাস নামক দুইটি দলকে ৯টি চ্যাম্পিনয়নশিপ টাইটেল এবং ৪ বার সুপারস্পোর্ট সিরিজ এনে দিয়েছেন। ২০০৮-২০০৯ এবং ২০১০ – ২০১১ মৌসুমে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা তাকে ‘সাউথ আফ্রিকান ক্রিকেট কোচ অব দ্য ইয়ার’ এ ভূষিত করে। 


ইঞ্জুরির কারণে তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার দীর্ঘায়িত হতে পারেনি। পাঁচটি মেজর সার্জারির কারণে তাঁর বয়স ২৫ হবার আগেই ক্রিকেট খেলা ছেড়ে দিয়ে তিনি ক্রিকেট কোচ হিসেবে কাজ করা শুরু করেন।

মার্ক বাউচার, মাখায়া এনটিনি এবং জাস্টিন কেম্প এর মতো ক্রিকেটার তাঁর হাতে গড়া। এমনকি ডেইল স্টেইন, মর্নে মরকেল, আলবি মরকেল, পল হ্যারিস, ফাফ ডু প্লেসিস, ইমরান তাহির, ফারহান বেহারদিয়েন, ভারনন ফিল্যান্ডার এবং রিচার্ড লেভি’র মতো ক্রিকেটাররা রিচার্ড পাইবাসের পরামর্শে নিজেদেরকে পরিপূর্ণ ক্রিকেটার হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন।

সংক্ষেপে তাঁর ক্রিকেট কোচিং সম্পর্কিত তথ্য থেকে আমরা দেখছি যে তিনি একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেট প্রশিক্ষক। আমাদের আশা থাকবে পূর্বের মতো মাত্র ৫ মাসের জন্য তিনি আমাদের ক্রিকেট দলের প্রধান প্রশিক্ষকের দায়িত্ব নিবেন না। সুদীর্ঘ মেয়াদ ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে আমাদের ক্রিকেটকে এগিয়ে দিতে তিনি ভূমিকা রাখবেন এটাই আমাদের চাওয়া হবে।

Sunday, March 4, 2018

মার্টিন ক্রো - আধুনিক ক্রিকেটের টি২০ ধারণার প্রবর্তক

লেখাটি লিখেছেন আমাদের গ্রুপ এডমিন সৈকত ভৌমিক দাদা। ☺

আধুনিক ফরমেটের টোয়েন্টি ২০ ক্রিকেট মূলত যার মাথা থেকে প্রথম আসে তিনি মার্টিন ক্রো যাকে সেই হিসেবে বলা হতে পারে টি২০ ক্রিকেটের জনক । উনার নামটা মনে পড়তেই সামনে চলে আসে কিছু ইনিংসের ব্যাটিং দেখার সৌভাগ্য আর সেই সিদ্ধান্ত টা যখন তিনি অফ স্পিনার দীপক প্যাটেলকে দিয়ে বোলিংয়ের সূচনা করান নতুন বলে আর সেটাও কিন্তু প্রথম কোন স্পিনারের নতুন বলে বোলিং করার ঘটনা।
১৯৯২ বিশ্বকাপটা মার্টিন ক্রোর জন্যে আসলে কেউ ভুলতে পারবে না।৯ ম্যাচ খেলে করেছিলেন ৪৫৬ রান! গড় ছিল ১১৪। নিউজিল্যান্ডের হয়ে প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরি করা ক্রিকেটারের নাম ব্রেন্ডন ম্যাককালাম কিন্তু এই নামটা হতেই পারতো মার্টিন ক্রো এর কারণ, উনার সর্বোচ্চ রান যে ২৯৯।
২২ গজের জীবনটা শেষ হয়ে গিয়েছিল মাত্র ৩৩ বছর বয়সেই হাটুর ইনজুরিতে।৭৭ টেস্টে ৪৫.৩৬ গড়ে ৫৪৪৪ রান করা ক্রোর আসল ব্যাটিং সৌন্দর্য ছিলো এমনই যা টিভির সামনে থেকে ওঠার উপায় ছিলো। পুল শট ছিলো দেখার মতন আর উনার সামনের বোলারদের আসলে এতোটাই ভাবতে হতো উনাকে নিয়ে যে প্রতিপক্ষ দলের পরিকল্পনা তে থাকতো ক্রো শুধু ব্যাটিং এ কি করবে তা না বরং তার দলকে কিভাবে সাজাবে তাও।


অনেকের ধারনা পিঞ্চ হিটিং প্রথম উদ্ভাবন করে শ্রীলংকা জয়সুরিয়া, কালুভিতারানা কে দিয়ে ১৯৯৬ বিশ্বকাপে কিন্তু বাস্তবতা হলো শ্রীলংকার সেই চিন্তার প্রেরণা বলি বা বিশ্ব ক্রিকেটের পিঞ্চ হিটিং চিন্তার জনক বলি তাও কিন্তু মার্টিন ক্রো যিনি মার্ক গ্রেটব্যাচকে ওপেনিং এ পাঠিয়ে ' পিঞ্চ হিটিং ' শব্দের ধারনা বুনে দেয় ক্রিকেট অভিধানে। আর দীপক প্যাটেলকে দিয়ে যখন অফ স্পিনার হিসেবেই বোলিং ওপেনিং করাচ্ছিলো তখন ম্যাচের খেলোয়াড়রা না শুধু বরং ধারাভাষ্যকাররাও দ্বন্দে পড়ে গেছিলেন আর খবর নিচ্ছিলেন যে নিউজিল্যান্ডের কোন পেসার কি অসুস্থ কিনা। অসুস্থ ছিলো না বরং সেই স্পিনার দিয়ে ইনিংসের বোলিং শুরু করে প্রতিপক্ষকে দ্বিধাতে ফেলে দেয়াই ছিলো উনার পরিকল্পনা।

তবে সবচাইতে বড় উদ্ভাবনীটা উনার মাথাতে আসে একজন ধারাভাষ্যকার হিসেবে যখন উনি ১৯৯৫ স্কাইয়ের হয়ে ধারাভাষ্য দেওয়ার সময় যখন বলছিলেন ওয়ানডের চেয়েও ছোট একটা সংস্করণ করলে কেমন হয়? আর এর পরেই শুরু হয় চিন্তাভাবনা ও কার্যকরিতা। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে তাই মার্টিন ক্রোর মস্তিষ্কপ্রসূত বললে খুব একটা বাড়িয়ে বলা হবে না।

বিশ্ব ক্রিকেট আসলে মার্টিন ক্রো কে ভুলতে পারে না কোনভাবেই আর যখনই কোন স্পিন বোলার নতুন বলে বোলিং করতে আসবে বা পিঞ্চ হিটিং নিয়ে কথা বলবে বা টি ২০ ফরম্যাটের কথা বলা হবে তখনই মনে করতে হবে উনাকে ।

২০১৬ সালের ৩রা মার্চ ক্যান্সারের সাথে লড়াইয়ে হারতে মানতে হয় উনাকে।